ডেস্ক রিপোর্ট: নতুন সড়ক পরিবহন আইনে যাত্রী ও পথচারীর বিমা ছাড়াই গাড়ি চলতে পারবে সড়কে। সেই সঙ্গে কোনো ধরণের দুর্ঘটনা হলে ক্ষতিপূরণও পাবেন না যাত্রীরা। তবে বিআরটিএ বলছে, নতুন আইনে বীমার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও তৃতীয় পক্ষের জন্য কল্যাণ তহবিল গঠন করা হচ্ছে। পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে ও দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে অবশ্যই বিমার প্রয়োজন রয়েছে।

১৯৮৩ সালের মোটরযান অধ্যাদেশের ১০৯ ধারা অনুযায়ী যানবাহনের জন্য তৃতীয় পক্ষ বা যাত্রীদের ঝুঁকিবিমা বাধ্যতামূলক ছিল। এই আইনের ১৫৫ ধারায় বিমা না থাকলেও দণ্ডের বিধান ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনের ধারা ৬০-এর ১, ২ ও ৩ উপধারা অনুযায়ী বীমা বাধ্যতামূলক নয়। তাই বীমা না থাকলেও মামলা দিতে পারবে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত বছরের ১লা নভেম্বর থেকে নতুন আইন কার্যকর হলেও এ নিয়ে অনেকের মধ্যে নেই স্বচ্ছ ধারণা। তাই বিষয়টি অবহিত করে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চিঠিও দিয়েছে বিআরটিএ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোন দুর্ঘটনায় পরিবহন কিংবা যাত্রীর ক্ষতি হলে বীমার মাধ্যমে ক্ষতিপূরন পাওয়া যেতো। তাই তৃতীয় পক্ষের জন্য বীমা বন্ধ করা হলেও ১ম পক্ষের বীমা অবশ্যই বাধ্যতামুলক করা উচিৎ।

বিআরটিএ বলছে, তৃতীয় পক্ষের বীমার মাধ্যমে যাত্রীরা তেমন লাভবান হতেন না। তাই নতুন আইনে এটা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে যাত্রীদের ক্ষতিপূরণের জন্য কল্যাণ তহবিল গঠন করা হচ্ছে।

তবে দুর্ঘটনার পর যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ যেন নিশ্চিত হয়, সে ব্যাপারে সরকারকে সজাগ থাকতে হবে বলে অভিমত বিশ্লেষকদের।