ডেস্ক রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের কামালমোড়া গ্রামে ষাটোর্ধ্ব স্বামী ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন মমতাজ বেগম। গত ২০ দিন ধরে তাদের ঘরে বাজার নেই। খুদের (চালের ভাঙা অংশ) ভাত রান্না করে কোনো রকমে তারা জীবন অতিবাহিত করছেন।

রোববার (৩০ আগস্ট) সাভারের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানা যায়। সরেজমিনে সংগঠনের সদস্যরা ওই নারীর বাড়ি পরিদর্শন করে ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন ও তাদের কিছু বাজার করে দেন।

জানা যায়, মমতাজ বেগমের স্বামীর বয়স ৬০ বছর। শারীরিকভাবে অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন একেবারেই কাজ করতে পারেন না তিনি। তাদের একটি মাত্র মেয়ে। শেষ বয়সে মেয়েটির জন্ম হয়। আগুন লেগে মেয়েটির পা পুড়ে বাঁকা হয়ে গেছে। আগে সংসার চালাতে মমতাজ বেগম মানুষের বাড়িতে কাজ করতেন। অসুস্থতার কারণে এখন সেটাও পারেন না। এমতাবস্থায় ছোট্ট একটি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছে উপার্জনহীন তিন সদস্যের এই পরিবারটি।

ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কিছু বাজার করে দেন। কিন্তু তাদের জীবন নির্বাহের জন্য স্থায়ী কিছু করা প্রয়োজন। মমতাজ বেগম একটি চায়ের দোকানের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন। দোকানটি করার জন্য প্রায় ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন। এজন্য তিনি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মমতাজ বেগম বলেন, আমার স্বামীর খুবই রুগ্ন অবস্থা। রুজি-রোজগার করতে পারেন না। নিজের শরীরের অবস্থাও বেশি ভালো না। চারডা ভাত খাওয়ার তৌফিক আমাগো নাই। আপনারা কেউ সাহায্য করলে খুবই ভালো হয়।