ডেস্ক রিপোর্ট: সিনেমায় আপনারা এলিয়েন দেখেছেন। দেখেছেন অতিদ্রুতগামী যান ইউএফও তে করে কিভাবে ছুটে চলে তারা। তবে সত্যিই কি এলিয়েনের অস্তিত্ব আছে কিনা সেই রহস্য এখনো কেউ ভেদ করতে পারেনি। পৃথিবী জুড়ে এলিয়েনের অস্তিত্বের অসংখ্য প্রমাণ থাকলেও এসব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে এবার করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে হুট করে তিনটি ভিডিও প্রকাশ করে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন। স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও তিনটিতে ইউফএফও অর্থাৎ ‘আনআইডেন্টিফায়ে ফ্লাইং অবজেক্ট’, বাংলায় ‘অজ্ঞাতপরিচয় উড়ন্ত বস্তু’ দেখা গিয়েছে।

ইনফ্রারেড ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিওগুলিতে যে অজ্ঞাতপরিচয় উড়ন্ত বস্তুগুলি-কে দেখা গিয়েছে, তার প্রত্যেকটিই অতন্ত দ্রুতগামী। ভিডিওগুলির দুটিতে মার্কিন নৌসেনার বিমানচালকদের এই গতিতে বিস্মিত হওয়ার প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

প্রতিরক্ষা বিভাগ জানাচ্ছে, বায়ুসেনার বিমান চালকরা ওই ভিডিওগুলি তোলে ২০০৪ ও ২০০৫ সালে। সেগুলি ইন্টারনেটে ফাঁস হয়ে যায় ২০০৭ ও ২০১৭ সালে। সেই থেকে সেগুলি ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওই ভিডিওগুলিতে যে বায়বীয় ঘটনা নজরে এসেছে তাকে ‘অজ্ঞাত’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সিএন‌এন-এর প্রতিবেদন থেকে জানান যাচ্ছে, সোমবার প্রকাশিত ওই ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে অজানা উড়ন্ত বস্তুদের। ইনফ্রা রেড ক্যামেরায় তোলা হয়েছে ভিডিওটি। ফুটেজের একটিতে একজনের কণ্ঠস্বর শোনা গিয়েছে। তিনি বলছেন, ওগুলি ইউএফও না হয়ে ড্রোনও হতে পারে।

এদিকে ভিডিওগুলো #UFOs হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। এই হ্যাশট্যাগে অন্তর্গত প্রায় ২০,০০০ পোস্ট হয়েছে এখন পর্যন্ত। ভিডিওগুলি লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে। অনেকেই শেয়ার করছেন। অনেকেই ভিডিওগুলিকে পৃথিবীতে ভিনগ্রহীদের আনাগোনার প্রমাণ হিসেবে ধরছেন। আবার অনেকেই বলছেন, ২০২০ সালে সামনে আসা বিচিত্র ঘটনার এটা আরও একটা নমুনা মাত্র।

এদিকে পেন্টাগনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এই ফুটেজগুলি প্রকাশের আগে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই ভিডিও প্রকাশের ফলে কোনও স্পর্শকাতর বিষয়কে প্রকাশিত হচ্ছে কিনা বা অন্য বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে তবেই তা প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।