মিলি সুলতানা: সাবরিনা বুক ধড়ফড়ানির ডাক্তার। বিয়ের আগের দিন স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মেলামেশার পর্ব ভেবে যাদের বুক “ধাক ধাক কারনে লাগা…….হো মোরা জিয়েরা ডারনে লাগা” করে তাদের চিকিৎসা ও পরামর্শ দেয় সাবরিনা খাতুন মিষ্টি।

যেহেতু তার নাম থেকে এককোপে আরিফের কল্লা ফেলে দিয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় — আজ অবধি চিকিৎসক সমাজের কাউকে দেখলাম না চোরণী জালেবি বাঈ সাবরিনা খাতুন (তার মায়ের নাম যেহেতু জোবেদা খাতুন) ওরফে মিষ্টির কুকর্মের বিরুদ্ধে একটা কথা বলতে দেখলাম না!!

এত নীতি আদর্শের তুবড়ি বাজানো ম্যাক্সিমাম ডাক্তাররা মুখে অটোলক দিয়ে বসে আছেন!! একজনও কি নেই প্রতিবাদ করার? অতীত থেকে আমরা লক্ষ্য করেছি একজোট হতে ডাক্তাররা সময় নেন না। কিন্তু এখন? কলঙ্কবতী সাবরিনার বিষয়ে সম্মানিত চিকিৎসক সমাজ মৌনব্রত পালন করছে।

বিএমএর বড় বড় নেতার অন্তরঙ্গ সখী বলেই কি ডাক্তাররা মুখে তালা ঝুলিয়ে আছেন? সাবরিনা বলে সে ২৭ বিসিএস ক্যাডার। কিন্তু আসলে এডহকের চিকিৎসক। এখানেও সে দুই নম্বরী করেছে। বাটপারি জোচ্চুরি তার শরীরের রক্তকণিকার সাথে মিশে গেছে।

৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর কেন সাবরিনাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে না??? এই টাকা সাবরিনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। সরকার ত’দন্ত করলে পেয়ে যাবে।

জেকেজি যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধ যদি আ’মেরিকায় সংঘটিত হত, কুখ্যাত মক্ষিরানী সাবরিনা ডাক্তারি করার লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়ে যেত। স্বামী স্ত্রী দুই হাতে বগল বাজিয়ে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। সেই টাকার সবটাই ফেরত দিতে হত।

সেই সাথে নিজেদের বাড়িঘর গাড়ি গয়না বৃষ্টিভেজা শাড়ি স্কার্ট ফ্রক হাফপ্যান্ট ব্রা লুঙ্গি প্যান্টি সব বিক্রি করে জরিমানা দিতে হত। তার সাথে মেন্ডাটরি বোনাস হিসেবে থাকতো কারাবাস।

লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত